ভৌগোলিক পরিচয় ও অবস্থান
মুরাদনগর উপজেলা বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক এলাকা। ২২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই উপজেলাটি কুমিল্লা জেলার সর্ববৃহৎ উপজেলা। কুমিল্লা জেলা সদর থেকে সড়ক পথে ৩৫.৪২ কিলোমিটার দূরে গোমতী নদীর তীরে মুরাদনগর উপজেলা অবস্থিত।
অক্ষাংশ: ২৩°৩০´ থেকে ২৩°৪৮´ উত্তর | দ্রাঘিমাংশ: ৯০°৫২´ থেকে ৯১°০৪´ পূর্ব
প্রশাসনিক তথ্য
২২টি ইউনিয়ন পরিষদ
জনসংখ্যা তথ্য (২০১১ আদমশুমারী)
পানীয় জলের উৎস: নলকূপ ৯৪.৭%, ট্যাপ ০.৮% এবং অন্যান্য ৪.৫%। অগভীর নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি প্রমাণিত।
স্যানিটেশন: ৭৩.৫% পরিবার স্বাস্থ্যকর ল্যাট্রিন ব্যবহার করে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
স্বাস্থ্য সেবা
অর্থনীতি ও কৃষি
জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস:
কৃষি ৫০.২৪% · ব্যবসা ১৬.২৫% · চাকরি ৮.৪৭% · রেমিটেন্স ৪.৮% · পরিবহণ ২.৭২% · অকৃষি শ্রমিক ২.৫৫% · নির্মাণ ১.০৯% · শিল্প ১.৩৪% · অন্যান্য ১২.১২%
প্রধান কৃষি ফসল: ধান, গম, মসুর, কলাই, সরিষা, তিল, তিসি
নদ-নদী ও খাল
প্রধান নদী:
উল্লেখযোগ্য খাল:
ইতিহাস ও নামকরণ
মুরাদনগর উপজেলা ১৮৫৮ সালে প্রথম থানা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। সেই সময়ে এ থানার নাম ছিল থোল্লা। ১৮৭৮ সালে এর পুনঃ নামকরণ করা হয় মুরাদনগর।
নামকরণ সম্পর্কে জনশ্রুতি আছে যে, মোগল সম্রাট শাহ জাহানের কনিষ্ঠ পুত্র মুরাদ কোন এক সময়ে এই এলাকায় এসেছিলেন। সেই অনুসারে এই এলাকার নামকরণ মুরাদনগর করা হয়েছে। অনেকের মতে, মুরাদনগর মূলত মীর মুরাদ আলীর নামানুসারে — যিনি ছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ শাসনের একজন রাজস্ব আদায়কারী।
এক সময়ের শিক্ষা, সংস্কৃতি, শিল্প ও সাহিত্যের পাদপীঠ মুরাদনগর একটি প্রাচীন ঐতিহ্য সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে বহুল পরিচিত। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি বিজড়িত এই উপজেলা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য অংশ।
উপজেলা কার্যালয়সমূহ
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব ও স্থান
দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থান:
জাতীয় সংসদ: কুমিল্লা-৩ (২৫১নং নির্বাচনী এলাকা)